Posted in অনুভব উপলদ্ধি

কেন এমনটা, হে বন্ধু?! | কবি সালাবা

হে বন্ধু! দুনিয়ার এ দুঃখে কেন তুমি ভারাক্রান্ত হয়ে হতাশ হয়ে যাও?। অথচ তা ক্ষণস্থায়ী, ক্ষণিকের জন্য।…

হে পথিক! তুমি কেন সফরের গন্তব্য ভুলে অপ্রাসঙ্গিক বিষয়ে মশগুল হয়ে যাও?। অথচ তোমার সম্মুখে বিরামহীন সফর।…

হে বিচক্ষণ! তুমি কেন এ অস্থায়ী দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী প্রাচুর্য ও ভোগ–বিলাসে মত্ত হয়ে ভুলে যাও সে পরকালকে?। যেখানে আছে অনন্ত সুখের অসীম জান্নাত।…

হে জ্ঞানী! তুমি কেন এ জগতে ক্ষণিকের সুখ–শান্তি ও আনন্দে আত্মহারা হয়ে ভুলে যাও সুখের সেই স্বর্গরাজ্য বেহেশতকে?।

যার প্রশস্ততা অসীম…
যার সুখ অনন্ত…
যার দৃশ্য অবলোকন করেনি কোন চোখ, কোন হৃদয়।…

Posted in অনুভব উপলদ্ধি

একচিলতে বাস্তবতা | কবি সালাবা

এমন কিছুর প্রতি তুমি তাওয়াজ্জুহ কর…

যার থেকে তুমি পাবে যথাযথ মূল্যায়ন, উত্তম পুরস্কার ও অকৃত্রিম ভালবাসা।

যার স্থায়িত্ব হবে অসীম-অশেষ…
দুনিয়ার ধোকার মায়াজালে সুদর্শনরূপে সাজানো ক্ষণস্থায়ী কোন জিনিষের প্রতি ধাবিত হয়োনা… কেননা, তা তোমার জন্য কোন কল্যাণ বয়ে আনবেনা… 

Posted in অনুভব উপলদ্ধি

জীবনের প্রকৃতি | কবি সালাবা

মানুষের জীবন চাকার মতো;
যা সর্বদা ঘুরতে থাকে। কভূ স্থির থাকেনা তার চলা, থমকে যায়না তার গতি…

কখনোবা মাড়িয়ে-পেরিয়ে চলে নানা চড়াই-উতড়াই,

আবার কখনোবা চলতে থাকে সুখ-দুঃখ ও সফলতা-অসফলতার পানে…
সত্যিই এর প্রকৃতি বড়ই অদ্ভুত, বিরল ও বিস্ময়কর।

Posted in অনুভব উপলদ্ধি

সাবধান হে বনী আদম! | কবি সালাবা

মানুষের সবচেয়ে বড় শত্রু হলো-ইবলিস ও প্রবৃত্তি।
আর মানুষের সফলতার পথে সবথেকে বড় প্রতিবন্ধকতা হলো– অলসতা, অমনোযোগীতা ও উদাসীনতা।

অতএব, মানব সন্তান যদি কখনো এই ব্যাধিগুলোর ধ্বংসাত্মক সয়লাব রুখতে ব্যর্থ হয়,

তবে তা নিঃসন্দেহে বিপর্যস্ত করে তুলবে সম্ভাবনাময় মানব জীবনকে…

Posted in অনুভব উপলদ্ধি

তিক্ত বাস্তবতা; যা বড় ভাবিয়ে তোলে | কবি সালাবা

জ্ঞানের সেই বিশালতা দিয়ে কি হবে?। যা দেখাতে পারেনা সত্য ও সফলতার পথ!
শত ধিক এমন জ্ঞানকে…
সম্পদের সেই প্রাচুর্যতা দিয়ে কি হবে?। যা এনে দিতে পারেনা চিরস্থায়ী মুক্তি ও সম্মান!

শতবার ধিক তার উপর…
সেই ক্ষমতা দিয়ে কি হবে?। যা এনে দিতে পারেনা চিরস্থায়ীত্বের অনন্ত সুখ!

শত অভিশাপ তাকে…
সেই আলেমকে দিয়ে কি হবে?। যার দ্বারা উম্মাহ পায়না সুখ-শান্তি ও নিরাপত্তা!

অজস্র পরিতাপ তার জন্য…

Posted in অনুভব উপলদ্ধি

অকৃতজ্ঞতাঃ নিজ কৃতকর্মের দরুণ স্বীয় হৃদয়ের আহাজারী | কবি সালাবা |

একজনকে কোথাও পাঠানো হলো কোন কর্মে, কিংবা কাঙ্ক্ষিত কোন উদ্দেশ্যে। কিন্তু সে তাতে অলসতা করে অকৃতজ্ঞতার পরিচয় দিলো। সে নিজেকে সাফল্যের সুভাস দ্বারা সুশোভিত না করে বরং অসফলতা দ্বারা নিজেকে করলো অকৃতকার্য।

সত্যি, এ বিষয়টা বড় হৃদয়বিদারক ও কষ্টদায়ক। রীতিমত অদ্ভুত ও বিস্ময়করও বটে। আফসোস তার জন্য! যে আপনকার্যে অকৃতজ্ঞতা ও অকর্মণ্যতা দ্বারা অসফল ও বিপর্যস্ত হলো।

আমার নিজের জন্য বড়ই আফসোস হয়। আমি অকৃতকার্য হয়েই চলছি… সফলতার পথপানে অক্লান্ত-অবিরাম ছুটে না চলে থমকে যাচ্ছি আঁকাবাকা পথের মোড়ে মোড়ে।
বড়ই পরিতাপ নিজের জন্য। নিজের জীবন গড়তে পারলাম না প্রশান্তিময় সম্মানিত জীবন হিসেবে। হতে পারলাম না আল্লাহ তাআলার প্রিয়ভাজন। তাঁহার খাছ বান্দা হবার মাধ্যমে নিজেকে করতে পারলাম না চিরস্থায়ী সফলতার গর্বিত অধিকারী! সত্যিই আমি বড় অকৃতজ্ঞ… জানিনা কবে হতে পারবো চিরস্থায়ী সফলতার গর্বিত অধিকারী!

Posted in অনুভব উপলদ্ধি

দুনিয়া… ভারাক্রান্ত মনে | কবি সালাবা |

সত্যি বড়ই অদ্ভুত আমাদের এ দুনিয়া। একসময় আমরা দুনিয়াতে ছিলাম না। তখন কোথায় ছিলাম, তা একমাত্র আল্লাহ রব্বুল আলামীনই ভালো জানেন। দুনিয়াতে আসার আগে ছিলো না আমাদের এরকম অস্তিত্ব, বুঝতাম না কোনকিছু। ভালো-মন্দ ও সুখ-দুঃখের কোন অনুভূতি ছিলো না আমাদের। কোন চিন্তা-ভাবনা ও পেরেশানি ছিলো না, ঘিরে ধরতো না একঝাঁক দুশ্চিন্তা ও দুঃখ। লিপিবদ্ধ হতো না আমাদের কোন পাপ, পেতে হতো না কোন শাস্তি। আহ! কতইনা উত্তম অদ্ভুতময় সে মুহূর্তগুলো। কিন্তু এখন কোথায়? কোথায় অতীতের সেই হারানো দিনগুলি?। পাবো কি আবার ফিরে?। আবার কি বাস করতে পারবো সেই অস্তিত্বহীন দুনিয়াতে?। ফের ফিরে যেতে পারবো কি দুঃখ-কষ্টহীন সেই স্বপ্নিল জগতে?। 

আমি আজও নিশ্চল তাকিয়ে থাকি বিস্ময়কর সেই স্বপ্নিল জগতের পথপানে। দুঃখ-কষ্টময় নিষ্ঠুর এ দুনিয়া থেকে চলে যাব সেখানে…